ভবিষ্যতে Crypto ব্যবহার না জানলে কি পিছিয়ে পড়বে মানুষ?
নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি যখন ইন্টারনেট সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে শুরু করেছিল তখন অনেকেই একে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি। অনেক বিজ্ঞ ব্যক্তিও তখন মনে করেছিলেন এটি কেবল শখের বিষয় বা নির্দিষ্ট কিছু মানুষের প্রযুক্তি। কিন্তু আজ তিন দশক পরে এসে আমরা দেখতে পাই যে ইন্টারনেট ছাড়া আমাদের জীবন পুরোপুরি অচল। ঠিক একই ধরণের এক বিশাল পরিবর্তনের দোড়গোড়ায় আজ দাঁড়িয়ে আছে বিশ্ব অর্থনীতি আর সেই পরিবর্তনের নাম হলো ক্রিপ্টোকারেন্সি। বর্তমান সময়ে আমাদের অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে যে ভবিষ্যতে ক্রিপ্টো ব্যবহার না জানলে কি আমরা সত্যিই পিছিয়ে পড়বো? উত্তরটি আসলে সময়ের সাথে বদলে যাওয়া প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর নির্ভর করছে। কারণ ইতিহাস বলে যারা সময়ের সাথে প্রযুক্তির সাথে তাল মেলাতে পেরেছে তারাই পৃথিবীতে টিকে আছে এবং এগিয়ে গেছে। আজকের আমাদের এই বিশেষ লেখাটি সাজানো হয়েছে আগামী দিনের সেই অর্থনৈতিক বাস্তবতাকে সামনে রেখে সাথে সাথে প্রাসঙ্গিগ ভাবেই আলোচিত হয়েছে ক্রিপ্টোকারেন্সি শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে যাবতীয় সকল খুঁটিনাটি।
ক্রিপ্টোকারেন্সি আসলে কী এবং কেন এটি ভিন্ন?
ক্রিপ্টোকারেন্সি শব্দটির সাথে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত হলেও এর মূল ভিত্তি সম্পর্কে অনেকেরই অস্পষ্টতা রয়েছে। সহজভাবে বলতে গেলে এটি একটি ডিজিটাল সম্পদ যা কোনো সেন্ট্রাল ব্যাংক বা সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। এটি কাজ করে মূলত ব্লকচেইন নামক এক বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে যেখানে প্রতিটি লেনদেন অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং নিরাপদভাবে সংরক্ষিত থাকে। প্রথাগত মুদ্রার সাথে এর সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো এর বিকেন্দ্রীকরণ বা ডিসেন্ট্রালাইজেশন। এখানে আপনার অর্থের ওপর আপনারই পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে এবং কোনো তৃতীয় পক্ষ বা ব্যাংক এখানে মধ্যস্থতা করতে পারে না। ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রধান তিনটি বিশেষত্ব যা একে অনন্য করে তুলেছে তা নিচে দেওয়া হলো:
১. উচ্চ নিরাপত্তা ও জটিল এনক্রিপশন ব্যবস্থা।
২. তথ্যের স্বচ্ছতা ও কোনোভাবেই পরিবর্তন না করার সক্ষমতা।
৩. ভৌগোলিক সীমানা ছাড়াই মুহূর্তের মধ্যে বিশ্বজুড়ে লেনদেন করার ক্ষমতা।
এই বৈশিষ্ট্যগুলোই মূলত একে প্রথাগত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা এবং শক্তিশালী করে তুলেছে।
ডিজিটাল স্বাক্ষরতা হিসেবে ক্রিপ্টোকারেন্সি শিক্ষার গুরুত্ব
অতীতের দিকে তাকালে দেখা যায় এক সময় কম্পিউটার চালানো বা ইমেইল পাঠানো ছিল বিশেষ কোনো দক্ষতার পরিচয়। কিন্তু আজ তা একটি অতি প্রয়োজনীয় সাধারণ জ্ঞান বা ডিজিটাল স্বাক্ষরতার অবিচ্ছেদ্য অংশ। ঠিক একইভাবে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারের জ্ঞান কেবল সৌখিন বিনিয়োগকারীদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং এটি সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের অংশ হয়ে উঠবে। আর এই কারণেই বর্তমান সময়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বেড়েই চলেছে। আপনি যদি এই প্রযুক্তির কাজ করার ধরণ বা এর ভালো মন্দ দিকগুলো বুঝতে না পারেন তবে আগামী দিনের স্মার্ট অর্থনীতিতে সমানভাবে অংশগ্রহণ করা আপনার জন্য কঠিন হয়ে পড়বে। ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহার করা থেকে শুরু করে স্মার্ট কন্ট্রাক্ট বা স্মার্ট চুক্তি সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান থাকা এখন সময়ের দাবি। ডিজিটাল স্বাক্ষরতা বলতে কেবল ইন্টারনেটে ব্রাউজিং করা বোঝায় না বরং আপনার নিজের ডিজিটাল সম্পদের নিরাপত্তা ও সঠিক ব্যবহার বুঝতে পারাও এর অন্তর্ভুক্ত।
আরও পড়ূনঃ Two-Factor Authentication কেন বাধ্যতামূলক?
কেন মানুষ ভবিষ্যতে পিছিয়ে পড়তে পারে?
বিশ্বের বড় বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান যেমন ব্ল্যাকরক, পেপাল বা ভিসার মতো কোম্পানিগুলো এখন ক্রিপ্টোকারেন্সিকে তাদের লেনদেন পদ্ধতিতে গ্রহণ করতে শুরু করেছে। অনেক দেশ তাদের জাতীয় অর্থনীতিতে সরাসরি ক্রিপ্টো বা সিবিডিসি অন্তর্ভুক্ত করার কথা গুরুত্বের সাথে ভাবছে। যখন পুরো বিশ্ব একটি নির্দিষ্ট প্রযুক্তির ওপর ভর করে নিয়মিত লেনদেন বা ব্যবসায়িক কাজ পরিচালনা করবে তখন যারা এর ব্যবহার জানবে না তারা স্বাভাবিকভাবেই মূল অর্থনৈতিক ধারা থেকে ছিটকে পড়বে। এছাড়া বর্তমানে বৈশ্বিক চাকরির বাজারে ওয়েবথ্রি বা ব্লকচেইন প্রযুক্তির বিশাল চাহিদা তৈরি হচ্ছে যা সাধারণ আইটি সেক্টরকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এমনকি একজন সাধারণ ফ্রিল্যান্সার বা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর জন্যও আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্রিপ্টো ব্যবহার জানা এখন সময়ের প্রয়োজনে সুবিধাজনক হয়ে উঠেছে। আপনি যদি লেনদেনের নতুন এই ডিজিটাল ভাষাটি না শেখেন তবে আপনি আধুনিক গ্লোবাল মার্কেটের বিশাল সব সুযোগগুলো হারাবেন। শুধু তাই নয় লেনদেনের উচ্চ খরচ কমানো এবং দ্রুত পেমেন্ট পাওয়ার যে সুবিধা ক্রিপ্টো দেয় তা না জানার কারণে আপনি অন্য প্রতিযোগীদের তুলনায় কয়েক ধাপ পিছিয়ে থাকবেন।
প্রথাগত ব্যাংকিং বনাম ক্রিপ্টোকারেন্সি: একটি তুলনামূলক চিত্র

ভবিষ্যতের অর্থনীতি বুঝতে হলে আমাদের বর্তমান ব্যাংকিং ব্যবস্থার সাথে ক্রিপ্টোকারেন্সির পার্থক্যগুলো স্পষ্টভাবে জানতে হবে। সাধারণ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আপনার টাকা আসলে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং যে কোনো বড় লেনদেনে আপনাকে তাদের অনুমতির ওপর নির্ভর করতে হয়। অন্যদিকে ক্রিপ্টোকারেন্সি আপনাকে আপনার অর্থের পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদান করে। শুধু তাই নয় আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো যেখানে প্রচুর সময় এবং চার্জ গ্রহণ করে ক্রিপ্টো সেখানে অনেক বেশি সাশ্রয়ী। অনেকে মনে করেন ক্রিপ্টোকারেন্সি শিক্ষার গুরুত্ব কেবল এর লাভ বা লসের মধ্যে সীমাবদ্ধ কিন্তু এর কারিগরি সুবিধাগুলো জানলে আপনি বুঝতে পারবেন কেন এটি আগামীর বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করবে। নিচে একটি ছকের মাধ্যমে দুই মাধ্যমের প্রধান পার্থক্যগুলো তুলে ধরা হলো:
| বৈশিষ্ট্য | প্রথাগত ব্যাংকিং | ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন |
| লেনদেনের গতি | কয়েক ঘণ্টা থেকে ৩-৫ দিন লাগে | কয়েক সেকেন্ড থেকে সর্বোচ্চ ১০-২০ মিনিট |
| লেনদেনের খরচ | ব্যাংক এবং মধ্যস্থতাকারীর ফি অনেক বেশি | সাধারণত ফি অনেক কম বা নামমাত্র |
| নিয়ন্ত্রণ | কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত | বিকেন্দ্রীভূত নেটওয়ার্ক বা ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণে |
| প্রবেশযোগ্যতা | ব্যাংকিং আওয়ার এবং ছুটির ওপর নির্ভরশীল | দিনে ২৪ ঘণ্টা ও বছরে ৩৬৫ দিনই সচল |
প্রাত্যহিক জীবনে ক্রিপ্টো ব্যবহারের ব্যবহারিক ক্ষেত্রসমূহ
অনেকের ধারণা ক্রিপ্টোকারেন্সি কেবল শেয়ার বাজারের মতো একটি সম্পদ যা কেনাবেচা করে লাভ করা যায়। কিন্তু বাস্তবে এর ব্যবহারিক ক্ষেত্র অনেক বিস্তৃত। বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশে কফি কেনা থেকে শুরু করে বিমানের টিকিট বুকিং পর্যন্ত সবক্ষেত্রেই বিটকয়েন বা ইথেরিয়াম গ্রহণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে যারা দেশের বাইরে থেকে রেমিট্যান্স পাঠান তাদের জন্য এটি একটি আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো ধরণের এক্সচেঞ্জ হাউস বা থার্ড পার্টির ঝামেলা ছাড়াই মুহূর্তের মধ্যে এক দেশ থেকে অন্য দেশে টাকা পাঠানো সম্ভব হচ্ছে। এছাড়া বিকেন্দ্রীভূত অর্থায়ন বা ডি-ফাই এর মাধ্যমে কোনো ব্যাংক ছাড়াই ডিজিটাল সম্পদ বন্ধক রেখে ঋণ নেওয়ার মতো আধুনিক সুবিধাগুলো জনপ্রিয় হচ্ছে। এল সালভাদরের মতো দেশগুলো যখন বিটকয়েনকে আইনি মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় তখন এটি স্পষ্ট হয়ে যায় যে এটি আর কেবল ইন্টারনেটের কোড নয় বরং এটি একটি বাস্তবমুখী অর্থনৈতিক হাতিয়ার। ভবিষ্যতে স্মার্ট কন্ট্রাক্ট বা স্বয়ংক্রিয় চুক্তির মাধ্যমে ঘর ভাড়া দেওয়া বা জমি কেনাবেচার মতো কাজগুলোও ক্রিপ্টো প্রযুক্তিতে সম্পন্ন হবে।
সম্ভাব্য ঝুঁকি এবং সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা
প্রতিটি নতুন প্রযুক্তির যেমন ভালো দিক আছে তেমনি কিছু ঝুঁকিও থাকে। ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেট অত্যন্ত অস্থির এবং এখানে দামের উত্থান পতন খুব দ্রুত ঘটে। এছাড়া ডিজিটাল দুনিয়ায় হ্যাকিং বা বিভিন্ন ধরণের স্ক্যামের ভয়ও থেকে যায়। ঠিক এই কারণেই ক্রিপ্টোকারেন্সি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। আপনি যদি জানেন কীভাবে একটি হার্ডওয়্যার ওয়ালেট ব্যবহার করতে হয় অথবা কীভাবে নিজের প্রাইভেট কী সুরক্ষিত রাখতে হয় তবে এই ঝুঁকিগুলো আপনি অনায়াসেই এড়িয়ে চলতে পারবেন। না বুঝে বিনিয়োগ করা বা না শিখে কোনো লিঙ্কে ক্লিক করার মাধ্যমেই মূলত মানুষ প্রতারণার শিকার হয়। সচেতনতা এবং সঠিক জ্ঞানই এখানে আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ। ক্রিপ্টো মার্কেটে টিকে থাকতে হলে কেবল লাভের আশা করলে হবে না বরং প্রযুক্তির নিরাপত্তা বলয় সম্পর্কেও আপনাকে সম্যক ধারণা রাখতে হবে।
নিরাপদ থাকার প্রধান ৩টি টিপস:
১. নিজের প্রাইভেট কী বা সিক্রেট রিকভারি ফ্রেজ কখনো কারো সাথে শেয়ার করবেন না।
২. যেকোনো লেনদেনের আগে প্রজেক্টের হোয়াইট পেপার এবং এর বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করুন।
৩. বড় অংকের ফান্ড সবসময় এক্সচেঞ্জে না রেখে ব্যক্তিগত কোল্ড ওয়ালেটে সংরক্ষণ করুন।
নিজেকে প্রস্তুত করবেন কীভাবে?

ভবিষ্যতের এই ডিজিটাল অর্থনৈতিক দৌড়ে নিজেকে এগিয়ে রাখতে হলে এখনই শেখা শুরু করার উপযুক্ত সময়। আপনাকে হয়তো কাল থেকেই বিশাল অংকের বিনিয়োগ করতে হবে না কিন্তু এই প্রযুক্তির সাথে পরিচিতি থাকা জরুরি। প্রথমেই একটি বিশ্বস্ত এক্সচেঞ্জে অ্যাকাউন্ট খুলে ছোট ছোট লেনদেনের মাধ্যমে এর কাজ করার ধরণ বুঝতে পারেন। এরপর ডিজিটাল ওয়ালেট সেটআপ করা এবং ব্লকচেইন এক্সপ্লোরারের মাধ্যমে লেনদেন ট্র্যাক করা শিখতে পারেন। ইন্টারনেটে বর্তমানে প্রচুর ফ্রি রিসোর্স এবং ভিডিও টিউটোরিয়াল পাওয়া যায় যা আপনাকে একজন দক্ষ ব্যবহারকারী হিসেবে গড়ে তুলবে। আপনি যখন জানবেন কীভাবে গ্যাস ফি বা নেটওয়ার্ক ফি কাজ করে তখন আপনি সাধারণ ব্যবহারকারীদের চেয়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকবেন।
আরও পড়ুনঃ কোন টোকেন সবাই যদি একসাথে বিক্রি করতে চায়, তখন কী হয়?
নতুনদের জন্য শিক্ষণীয় ধাপসমূহ:
১. ব্লকচেইন টেকনোলজি এবং এর বিকেন্দ্রীকরণ ধারণাটি বোঝা।
২. একটি ক্রিপ্টো ওয়ালেট সেটআপ এবং এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৩. বিভিন্ন ধরণের টোকেন এবং কয়েনের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে শেখা।
৪. মার্কেট ক্যাপ এবং লিকুইডিটি পুলের ধারণা নেওয়া।
৫. বিশ্বস্ত সোর্স থেকে ক্রিপ্টো নিউজ এবং মার্কেট ট্রেন্ড ফলো করা।
উপসংহার
পরিশেষে এটি বলা যায় যে প্রযুক্তি কখনোই কারো জন্য অপেক্ষা করে না। এক সময় মানুষ যখন রেডিও বা টেলিভিশনের বিরোধিতা করেছিল সময় কিন্তু থেমে থাকেনি। ক্রিপ্টোকারেন্সি আজ কেবল একটি গুঞ্জন নয় বরং এটি একটি গ্লোবাল রিয়েলিটি। আপনি এর পক্ষে থাকুন বা বিপক্ষে প্রযুক্তিটি তার আপন গতিতে এগিয়ে যাবে এবং বিশ্ব অর্থনীতির খোলনলচে বদলে দেবে। ভবিষ্যতে ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার না জানলে হয়তো মানুষ সরাসরি না খেয়ে মরবে না কিন্তু তারা অনেক আধুনিক সুযোগ সুবিধা এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত হবে। ঠিক যেমন আজকের দিনে স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট না জানলে মানুষ সামাজিক ও পেশাগতভাবে নিজেকে একঘরে মনে করে। তাই নিজেকে আধুনিক বিশ্বের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ক্রিপ্টোকারেন্সি শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করে এখনই একটু একটু করে শিখতে শুরু করা উচিত। আপনার আজকের এই ক্ষুদ্র চেষ্টা আপনাকে আগামী দিনের একটি স্মার্ট এবং ডিজিটাল অর্থনীতির যোগ্য অংশীদার হিসেবে গড়ে তুলবে।
