Crypto কি Money Laundering বাড়ায়? সত্য বনাম গুজব | ২০২৬ গাইড
বর্তমান সময়ে ডিজিটাল অর্থনীতি নিয়ে কথা বলতে গেলে প্রথমেই আসে ক্রিপ্টোকারেন্সির নাম। বিটকয়েন বা ইথেরিয়ামের মতো ডিজিটাল মুদ্রাগুলো বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রযুক্তিবিদদের মধ্যেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কিন্তু এই জনপ্রিয়তার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নানা বিতর্ক যার মধ্যে অন্যতম হলো ক্রিপ্টোকারেন্সি ও মানি লন্ডারিং ইস্যুটি। অনেকে মনে করেন যে ডিজিটাল কারেন্সি আসার ফলে অপরাধীদের জন্য অবৈধ টাকা লেনদেন করা আগের চেয়ে অনেক বেশি সহজ হয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবতা কি সত্যিই এমন নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো বড় তথ্য? আজ আমরা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে খতিয়ে দেখব যে ক্রিপ্টো জগৎ কি সত্যিই অপরাধীদের জন্য একটি নিরাপদ আস্তানা হয়ে উঠছে নাকি স্বচ্ছ ব্লকচেইন প্রযুক্তির কারণে তারা আসলে আরও বেশি নজরদারির মধ্যে রয়েছে। আমাদের চারপাশের এই ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল বিপ্লবে নিরাপত্তার প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মানি লন্ডারিং কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে?
মানি লন্ডারিং শব্দটির সাথে আমরা কমবেশি সবাই পরিচিত। সহজ ভাষায় বলতে গেলে অবৈধভাবে উপার্জিত কালো টাকাকে বিভিন্ন জটিল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বৈধ করার চেষ্টাই হলো মানি লন্ডারিং। অপরাধীরা তাদের মাদক ব্যবসা বা দুর্নীতির মাধ্যমে আসা অর্থ সরাসরি ব্যাংকে রাখতে পারে না কারণ সেখানে আয়ের উৎস দেখাতে হয়। তাই তারা এমন কিছু মাধ্যম খোঁজে যেখানে টাকার আসল মালিককে চেনা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রথাগত মানি লন্ডারিং সাধারণত তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয় যেগুলোকে প্লেসমেন্ট লেয়ারিং এবং ইন্টিগ্রেশন বলা হয়। বর্তমানে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও মানি লন্ডারিং আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকার কারণ হলো অপরাধীদের সেই চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা যা হলো তাদের অবৈধ আয়ের ওপর একটি পর্দা টানা। যখনই নতুন কোনো প্রযুক্তির আবির্ভাব ঘটে তখন অসাধু চক্র সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অর্থ পাচারের নতুন কৌশল উদ্ভাবনের চেষ্টা করে যা অর্থনীতির জন্য একটি বড় ঝুঁকি তৈরি করে।
আরও পড়ুনঃ টোকেন মরলে আসলে কী হয়? ক্রিপ্টো টোকেন ডেড হওয়ার কারণ কী?
ক্রিপ্টোকারেন্সি কেন অপরাধীদের পছন্দের তালিকায়?
ক্রিপ্টোকারেন্সি কেন অপরাধীদের নজরে থাকে তার পেছনে কয়েকটি মূল কারণ রয়েছে। প্রথমত এর বিকেন্দ্রীভূত বা ডিসেন্ট্রালাইজড বৈশিষ্ট্য। প্রথাগত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় প্রতিটি লেনদেনের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরদারি থাকে এবং প্রয়োজনে যেকোনো অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া যায়। কিন্তু ক্রিপ্টোকারেন্সির ক্ষেত্রে কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ নেই ফলে এখানে কারো হস্তক্ষেপ করার সুযোগ কম থাকে। দ্বিতীয় বড় কারণটি হলো ছদ্মনাম বা সুডোনমিটি। এখানে লেনদেন করার জন্য কারো নাম বা ঠিকানার প্রয়োজন হয় না বরং একটি ডিজিটাল ওয়ালেট এড্রেস থাকলেই চলে। যদিও এটি পুরোপুরি বেনামি নয় তবুও এর মাধ্যমে পরিচয় লুকিয়ে রাখা অপরাধীদের কাছে বেশ আকর্ষণীয় মনে হয়। এছাড়া ক্রিপ্টোকারেন্সি ও মানি লন্ডারিং এর ক্ষেত্রে বর্ডারলেস সুবিধার কথা উল্লেখ না করলেই নয়। মুহূর্তের মধ্যে বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাঠিয়ে দেওয়া সম্ভব যা সাধারণ ব্যাংকিং চ্যানেলে করতে গেলে অনেক আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এই দ্রুততা এবং জটিলতা এড়িয়ে যাওয়ার ক্ষমতাটিই অপরাধীদের ডিজিটাল মুদ্রার প্রতি আকৃষ্ট করে তোলে।
ব্লকচেইনের স্বচ্ছতা: অপরাধীদের জন্য এটি কি সত্যিই নিরাপদ?
অনেকের মনে একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে ব্লকচেইন মানেই হলো সম্পূর্ণ পরিচয় গোপন রাখা। কিন্তু বাস্তবে ব্লকচেইন প্রযুক্তি অপরাধীদের জন্য একটি বড় ফাঁদ হিসেবে কাজ করতে পারে। ব্লকচেইন হলো একটি পাবলিক লেজার যেখানে প্রতিটি লেনদেনের তথ্য চিরস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। প্রথাগত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেনের তথ্য গোপন রাখা সম্ভব হলেও ব্লকচেইনে তা প্রায় অসম্ভব। একবার কোনো ওয়ালেট থেকে লেনদেন হয়ে গেলে তার উৎস এবং গন্তব্য বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে যে কেউ দেখতে পারে। আধুনিক ফরেনসিক টুলস ব্যবহার করে এফবিআই বা ইন্টারপোলের মতো সংস্থাগুলো এখন খুব সহজেই অবৈধ লেনদেনের সাথে জড়িত ওয়ালেটগুলো শনাক্ত করছে। অপরাধীরা যদি একবার তাদের ক্রিপ্টোকারেন্সি কোনো এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে ডলারে রূপান্তর করার চেষ্টা করে তখনই তাদের আসল পরিচয় সামনে চলে আসে। সুতরাং ক্রিপ্টোকারেন্সি ও মানি লন্ডারিং এর ক্ষেত্রে ব্লকচেইনের এই স্বচ্ছতা অপরাধীদের জন্য মোটেও নিরাপদ নয় বরং এটি তদন্ত কর্মকর্তাদের জন্য একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।
ক্রিপ্টো বনাম প্রথাগত ব্যাংকিং: তথ্য কী বলে?
ক্রিপ্টোকারেন্সি ও মানি লন্ডারিং নিয়ে আলোচনা করার সময় আমাদের ডেটা বা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। ২০২৫ এবং ২০২৬ সালের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা গেছে যে প্রথাগত ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে হওয়া মানি লন্ডারিং এর পরিমাণ ক্রিপ্টোকারেন্সির তুলনায় অনেক বেশি। সাধারণত ক্রিপ্টো ইকোসিস্টেমে মোট লেনদেনের ১ শতাংশেরও কম অংশ অবৈধ কাজের সাথে যুক্ত থাকে। অন্যদিকে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার নগদ টাকা বা ফিয়াট কারেন্সির মাধ্যমে পাচার করা হচ্ছে। অপরাধীরা এখনো নগদ টাকাকেই সবচেয়ে নিরাপদ মাধ্যম মনে করে কারণ এতে কোনো ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট থাকে না। নিচের টেবিলটি লক্ষ্য করলে আপনি বিষয়টি আরও পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারবেন:
| বিষয়ের নাম | প্রথাগত ব্যাংকিং ও নগদ অর্থ | ক্রিপ্টোকারেন্সি নেটওয়ার্ক |
| অবৈধ লেনদেনের হার | মোট অর্থনীতির প্রায় ২ থেকে ৫ শতাংশ | মোট লেনদেনের ১ শতাংশের নিচে |
| নজরদারিযোগ্যতা | সীমিত (নগদ অর্থের ক্ষেত্রে প্রায় অসম্ভব) | অত্যন্ত উচ্চ (পাবলিক লেজার) |
| অপরাধীদের পছন্দ | উচ্চ অগ্রাধিকার | তুলনামূলক কম এবং ঝুঁকিপূর্ণ |
| ট্র্যাকিং সুবিধা | ব্যাংকিং রেকর্ড প্রয়োজন | সরাসরি ব্লকচেইন এক্সপ্লোরার দিয়ে সম্ভব |
এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে ক্রিপ্টোকারেন্সিকে যতটা বড় অপরাধের মাধ্যম হিসেবে চিত্রায়িত করা হয় বাস্তবে নগদ অর্থের তুলনায় এর প্রভাব অনেক কম। অপরাধীরা আসলে ক্রিপ্টোর স্বচ্ছতাকে ভয় পায় যা তাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার জন্য অন্তরায়।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকা: এএমএল (AML) ও কেওয়াইসি (KYC)
বিশ্বজুড়ে সরকারি এবং আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এখন ক্রিপ্টো মার্কেটকে শৃঙ্খলায় আনতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। বর্তমানে বাইন্যান্স বা কয়েনবেসের মতো জনপ্রিয় এক্সচেঞ্জগুলোতে লেনদেন করতে হলে প্রতিটি গ্রাহককে তার পরিচয় নিশ্চিত করতে হয়। এই প্রক্রিয়াটিই হলো কেওয়াইসি বা নো ইয়োর কাস্টমার। এর পাশাপাশি অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং বা এএমএল নীতিমালার মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেনগুলোকে রিয়েল টাইমে ট্র্যাক করা হচ্ছে। কোনো ওয়ালেট থেকে যদি অস্বাভাবিক পরিমাণ অর্থ লেনদেন হয় তবে এক্সচেঞ্জগুলো দ্রুত সেই অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেয় এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবহিত করে। ক্রিপ্টোকারেন্সি ও মানি লন্ডারিং রোধে ট্রাভেল রুলের মতো নতুন নতুন আন্তর্জাতিক আইন কার্যকর করা হচ্ছে যার ফলে এক এক্সচেঞ্জ থেকে অন্য এক্সচেঞ্জে টাকা পাঠানোর সময় প্রেরক ও প্রাপকের তথ্য আদান-প্রদান বাধ্যতামূলক হয়েছে। এই ধরনের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কারণে এখন অপরাধীদের পক্ষে ক্রিপ্টো ব্যবহার করে পার পাওয়া দিন দিন অসম্ভব হয়ে পড়ছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর এই সক্রিয় ভূমিকা ডিজিটাল মুদ্রার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও বেশি শক্তিশালী করছে।
আরও পড়ূনঃ বিটকয়েন কেন ২১ মিলিয়নের বেশি হবে না?
মিক্সার এবং ডিফাই (DeFi): অপরাধীদের নতুন আস্তানা?
প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে অপরাধীরাও তাদের কৌশল পরিবর্তন করছে। বর্তমানে তারা তাদের লেনদেনের উৎস গোপন করার জন্য ক্রিপ্টো মিক্সার বা টাম্বলারের মতো টুল ব্যবহার করার চেষ্টা করে। এই মিক্সারগুলো বিভিন্ন মানুষের ট্রানজেকশনকে একসাথে মিশিয়ে দেয় যেন কে কাকে টাকা পাঠিয়েছে তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। টর্নেডো ক্যাশের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো এই কারণে আন্তর্জাতিক মহলে বেশ সমালোচিত হয়েছে। এছাড়া ডিসেন্ট্রালাইজড ফাইন্যান্স বা ডিফাই প্ল্যাটফর্মগুলোও অপরাধীদের নজরে থাকে কারণ এখানে সাধারণত কোনো সেন্ট্রাল অথরিটি বা কেওয়াইসি ভেরিফিকেশন থাকে না। তবে সুখের বিষয় হলো বর্তমান ২০২৬ সালে ফরেনসিক অ্যানালিটিক্স টুলগুলো এতটাই উন্নত হয়েছে যে মিক্সার ব্যবহার করলেও অপরাধীদের পিছু নেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ক্রিপ্টোকারেন্সি ও মানি লন্ডারিং রোধে সরকার এখন এই ধরনের মিক্সার সার্ভিসগুলোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করছে। অপরাধীরা নতুন আস্তানা খোঁজার চেষ্টা করলেও প্রযুক্তির নজরদারি থেকে বেঁচে থাকা তাদের জন্য ক্রমশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে।
গুজব বনাম বাস্তবতা: মিডিয়া বনাম ডেটা
আমরা প্রায়ই গণমাধ্যমে বড় বড় শিরোনাম দেখি যে ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে শত শত কোটি ডলার পাচার হয়ে যাচ্ছে। এই ধরনের খবর সাধারণ মানুষের মনে ভীতির সৃষ্টি করে এবং তাদের মনে হয় যে পুরো ক্রিপ্টো জগৎটাই বুঝি অবৈধ কাজের আখড়া। কিন্তু মিডিয়ার এই প্রচারণা এবং প্রকৃত ডেটার মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। অধিকাংশ মিডিয়া হাউজ চাঞ্চল্যকর খবরের আশায় বড় কোনো হ্যাকিং বা স্ক্যামের ঘটনাকে বড় করে দেখায় কিন্তু পর্দার আড়ালের ইতিবাচক চিত্রটি তুলে ধরে না। বিভিন্ন রিসার্চ সংস্থা যেমন চেইনঅ্যানালাইসিসের তথ্যমতে দেখা গেছে যে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও মানি লন্ডারিং এর প্রকৃত হার দিন দিন কমছে। এর কারণ হলো মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন এবং প্রযুক্তিগতভাবে শিক্ষিত। গুজব আমাদের মনে বিভ্রান্তি তৈরি করলেও কঠোর পরিসংখ্যান বলে যে ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবহারের অধিকাংশ উদ্দেশ্যই বৈধ এবং ইনোভেশনধর্মী। তথ্যের এই ভারসাম্য বজায় রাখা আমাদের জন্য জরুরি যেন আমরা কোনো প্রযুক্তির কেবল খারাপ দিকটি দেখেই তাকে বর্জন না করি।
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায় যে ক্রিপ্টোকারেন্সি নিজেই কোনো অপরাধের উৎস নয় বরং এটি একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক মাধ্যম যা আমাদের লেনদেনের পদ্ধতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। যেকোনো নতুন প্রযুক্তির মতো এরও কিছু অপব্যবহার হতে পারে তবে এর জন্য পুরো সিস্টেমকে দায়ী করা যুক্তিসঙ্গত নয়। ক্রিপ্টোকারেন্সি ও মানি লন্ডারিং নিয়ে যে দুশ্চিন্তা রয়েছে তা দূর করার জন্য আন্তর্জাতিক সমন্বয় এবং উন্নত নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে উঠছে। আমরা যদি ডিজিটাল অর্থনীতির এই সুফলগুলো ভোগ করতে চাই তবে আমাদের উচিত এর আইনি এবং নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা। অপরাধ দমনে ব্লকচেইনের স্বচ্ছতা ভবিষ্যতে আরও বেশি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। সচেতনতা এবং সঠিক রেগুলেশন থাকলে ডিজিটাল মুদ্রা আগামী দিনের বৈশ্বিক অর্থনীতিতে একটি নিরাপদ ও স্বচ্ছ ভিত্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে। প্রযুক্তির এই অগ্রযাত্রা থামিয়ে রাখা সম্ভব নয় তাই আমাদের উচিত দায়িত্বশীলতার সাথে একে গ্রহণ করা এবং এর অপব্যবহার রোধে সোচ্চার থাকা।
